অগ্নি কণা ছিল

আমার প্রেমে অগ্নিকণা ছিল
সামান্য তার রাখতে পেরেছ কি
যদিও তুমি প্রাজ্ঞ পারমিতা
তবুও দেখ সবটা আছে বাকী

চমকে দেখি কখন গেছ চলে
কোনক্রমেই থাকে না সরলতা
তুমি আমার গৃধ্নু সজনী হে
তুমিই আমার প্রাণের পরিণীতা

কখনো যদি হামলে পড় নারী
ঝটিতে দাও করুণ করতলে
অগ্নিকুণ্ড জ্বালার প্রখরতা
তাহলে ফের প্রতুল বাঁধতে পারি

তোমার দেহের তুঙ্গ তরলতা
বুকের মধ্যে ভীষণ লুটোপুটি
তোমার ওষ্ঠে স্বস্তি গেল চলে
অন্ধকারে জ্বলতে থাকে শুধু তৃষিত চোখ দুটি।

আজকে আবার তোমাতে কান পাতি
হৃদয় কাপেঁ কৃষ্ণ গোধূলিতে
আটকে থাকে গলার মধ্যে যতি
ঢেলেই দিলেম সাবেক মাতামাতি

অনেক যুগের মায়াবী বাঁধ ভেঙে
জোয়ার এসে ভীষণ দিল ঠেলা
অস্তরেখায় ঝড়ের সঙ্কেতে
মোটেও আর চলে না হেলাফেলা।

সেটাই হোক ঝড়ের দিনে এসো
দেখেই নেবো তরলে ত্বরনীয়
উষ্ণ কোন কৃষ্ণ গোধূলিতে
অন্ধকারের প্রান্তে কমনীয়

তবুও তুমি একটি বার শুধূ
আমার কাছে শুদ্ধ হয়ে এসো
এবং এক প্রখর চিৎকারে
কাপিয়েঁ দিয়ে বলো যে ভালোবাসো।